RBS টেস্ট কী? কখন ও কেন র‍্যান্ডম ব্লাড সুগার পরীক্ষা করবেন?

RBS টেস্ট বোঝাতে দিনের বিভিন্ন সময়ের ঘড়ি, খাবারের সময়রেখা, রক্তের নমুনা, গ্লুকোমিটার, ল্যাব বিশ্লেষক ও সতর্কতা গেজ

RBS টেস্ট বা random blood sugar test দিনের যেকোনো সময়ে, সর্বশেষ খাবারের সময় বিবেচনা না করেই রক্তে গ্লুকোজ মাপে। ক্লাসিক হাইপারগ্লাইসেমিয়ার লক্ষণ—অতিরিক্ত পিপাসা, ঘন প্রস্রাব, অকারণে ওজন কমা—অথবা hyperglycemic crisis-এর সঙ্গে মানসম্মত ল্যাবের random plasma glucose ২০০ mg/dL বা বেশি হলে ডায়াবেটিস রোগনির্ণয়ে ব্যবহার করা যায়। কিন্তু কোনো লক্ষণ না থাকলে একটি random reading ২০০ … বিস্তারিত পড়ুন

FBS টেস্ট কী? খালি পেটে ব্লাড সুগার পরীক্ষার নিয়ম

FBS টেস্টের নিয়ম বোঝাতে রক্তের নমুনা, ল্যাব গ্লুকোজ বিশ্লেষক, উপবাসের ঘড়ি, পানির গ্লাস ও খাবার-কফি বর্জনের চেকলিস্ট

FBS টেস্ট বা fasting blood sugar test হলো অন্তত আট ঘণ্টা ক্যালরিযুক্ত খাবার-পানীয় না নেওয়ার পর রক্তে গ্লুকোজ মাপার পরীক্ষা। রোগনির্ণয়ের জন্য সাধারণত শিরার রক্তের plasma glucose মাপা হয়, যাকে FPG বা fasting plasma glucose বলা বেশি নির্ভুল। গর্ভবতী নন এমন প্রাপ্তবয়স্কের ক্ষেত্রে ১০০ mg/dL-এর নিচে সাধারণত স্বাভাবিক, ১০০–১২৫ mg/dL প্রিডায়াবেটিস এবং ১২৬ mg/dL বা … বিস্তারিত পড়ুন

HbA1c টেস্ট কী? কত হলে ডায়াবেটিস ধরা হয়?

HbA1c টেস্ট বোঝাতে রক্তের নমুনা, হিমোগ্লোবিন অণু, তিন মাসের ক্যালেন্ডার, ল্যাব যন্ত্র ও ফলের রেঞ্জ গেজ

HbA1c টেস্ট রক্তের হিমোগ্লোবিনের সঙ্গে গ্লুকোজ কত শতাংশ যুক্ত হয়েছে তা মেপে গত প্রায় দুই থেকে তিন মাসের গড় রক্তে শর্করার ধারণা দেয়। গর্ভবতী নন এমন প্রাপ্তবয়স্কের মানসম্মত ল্যাব পরীক্ষায় HbA1c ৫.৭ শতাংশের নিচে সাধারণত স্বাভাবিক, ৫.৭–৬.৪ শতাংশ প্রিডায়াবেটিস এবং ৬.৫ শতাংশ বা বেশি ডায়াবেটিসের রোগনির্ণয়মূলক সীমা। তবে স্পষ্ট হাইপারগ্লাইসেমিয়ার লক্ষণ বা সংকট না থাকলে … বিস্তারিত পড়ুন

খাওয়ার ২ ঘণ্টা পর রক্তে সুগারের মাত্রা কত থাকা উচিত?

খাওয়ার দুই ঘণ্টা পর রক্তে সুগার বোঝাতে সুষম খাবারের প্লেট, দুই ঘণ্টার ঘড়ি, গ্লুকোজ কার্ভ ও গ্লুকোমিটার

খাওয়ার ২ ঘণ্টা পর রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ে সবচেয়ে প্রচলিত ভুল হলো সব ধরনের “দুই ঘণ্টার” ফলকে একইভাবে ব্যাখ্যা করা। স্বাভাবিক মিশ্র খাবারের দুই ঘণ্টা পর ঘরের গ্লুকোমিটার রিডিং, মানসম্মত ৭৫ গ্রাম OGTT-এর দুই ঘণ্টার ল্যাব ফল এবং আগে থেকেই ডায়াবেটিস থাকা ব্যক্তির চিকিৎসা-লক্ষ্যমাত্রা এক বিষয় নয়। সাধারণভাবে গর্ভবতী নন এমন অধিকাংশ ডায়াবেটিস রোগীর জন্য … বিস্তারিত পড়ুন

খালি পেটে রক্তে সুগারের স্বাভাবিক মাত্রা কত হওয়া উচিত?

খালি পেটে রক্তে সুগারের স্বাভাবিক মাত্রা বোঝাতে গ্লুকোজ টেস্ট টিউব, গ্লুকোমিটার, আট ঘণ্টার ঘড়ি ও ফলের সীমা

খালি পেটে রক্তে সুগারের স্বাভাবিক মাত্রা সাধারণত ল্যাবের fasting plasma glucose বা FPG পরীক্ষায় ৭০ থেকে ৯৯ mg/dL ধরা হয়। তবে একটি সংখ্যা দেখেই নিজের রোগ নির্ণয় করা ঠিক নয়। ১০০–১২৫ mg/dL হলে প্রিডায়াবেটিসের সীমা এবং ১২৬ mg/dL বা বেশি হলে ডায়াবেটিসের রোগনির্ণয়মূলক সীমা বিবেচিত হয়। স্পষ্ট উপসর্গ বা হাইপারগ্লাইসেমিক সংকট না থাকলে ডায়াবেটিস নিশ্চিত … বিস্তারিত পড়ুন

ডায়াবেটিস পরীক্ষা কী কী? FBS, RBS, HbA1c ও OGTT সম্পর্কে জানুন

ডায়াবেটিসের FBS, RBS, HbA1c ও OGTT পরীক্ষা বোঝাতে রক্তের নমুনা, গ্লুকোমিটার, গ্লুকোজ পানীয় ও পরীক্ষাগার

ডায়াবেটিস পরীক্ষা বলতে শুধু একটি “সুগার টেস্ট” বোঝায় না। FBS বা FPG খালি পেটের একটি সময়ের গ্লুকোজ দেখায়, RBS যেকোনো সময়ের গ্লুকোজ মাপে, HbA1c গত প্রায় দুই থেকে তিন মাসের গড় সম্পর্কে ধারণা দেয় এবং OGTT নির্দিষ্ট গ্লুকোজ পান করার পর শরীর সেটি কতটা সামলাতে পারে তা পরীক্ষা করে। কোন পরীক্ষা কেন করা হচ্ছে, কী … বিস্তারিত পড়ুন

কোনো লক্ষণ ছাড়াই কি ডায়াবেটিস হতে পারে? সাইলেন্ট ডায়াবেটিস সম্পর্কে জানুন

লক্ষণহীন সাইলেন্ট ডায়াবেটিস শনাক্তকরণ বোঝাতে গ্লুকোমিটার, রক্তের নমুনা, ম্যাগনিফাইং গ্লাস, স্ক্রিনিং ক্যালেন্ডার ও অগ্ন্যাশয়

কোনো লক্ষণ ছাড়াই ডায়াবেটিস হতে পারে—বিশেষ করে টাইপ ২ ডায়াবেটিস ও প্রিডায়াবেটিসে এটি খুবই সাধারণ। রক্তে গ্লুকোজ ধীরে ধীরে বাড়লে শরীর পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নেয় এবং তৃষ্ণা, প্রস্রাব বা ক্লান্তি এত মৃদু হতে পারে যে মানুষ গুরুত্ব দেন না। অনেকের রোগ ধরা পড়ে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, অস্ত্রোপচারের আগের পরীক্ষা বা চোখ, কিডনি, স্নায়ু কিংবা হৃদ্‌স্বাস্থ্যের … বিস্তারিত পড়ুন

ডায়াবেটিস হলে শরীর দুর্বল লাগে কেন? সম্ভাব্য কারণ ও করণীয়

ডায়াবেটিসে দুর্বলতা বোঝাতে উচ্চ ও নিম্ন রক্তশর্করার গ্লুকোমিটার, পেশির মডেল, পানির গ্লাস, রক্তকণিকা, ব্যাটারি ও স্বাস্থ্যকর খাবার

ডায়াবেটিস হলে শরীর দুর্বল লাগে কেন—এ প্রশ্ন অনেকের। রক্তে গ্লুকোজ বেশি থাকলে কোষ সেই গ্লুকোজ ঠিকভাবে শক্তি হিসেবে ব্যবহার করতে পারে না, ঘন প্রস্রাবে পানি কমে যায় এবং ঘুমও ব্যাহত হতে পারে। আবার ইনসুলিন বা কিছু ওষুধে গ্লুকোজ অতিরিক্ত কমে গেলেও হঠাৎ কাঁপুনি, ঘাম, মাথা ঘোরা ও দুর্বলতা হয়। তবে সব ক্লান্তি ডায়াবেটিসের কারণে নয়; … বিস্তারিত পড়ুন

ডায়াবেটিস হলে চোখে ঝাপসা দেখা যায় কেন?

ডায়াবেটিসে ঝাপসা দৃষ্টির কারণ বোঝাতে চোখের মডেল, রেটিনার ক্ষুদ্র রক্তনালি, গ্লুকোমিটার, লেন্স ও চোখ পরীক্ষার যন্ত্র

ডায়াবেটিস হলে চোখে ঝাপসা দেখা একটি পরিচিত কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ সতর্ক সংকেত। রক্তে গ্লুকোজ দ্রুত বাড়া-কমায় চোখের লেন্স ও আশপাশের টিস্যুতে তরলের ভারসাম্য বদলে সাময়িকভাবে ফোকাস নষ্ট হতে পারে। আবার দীর্ঘদিন গ্লুকোজ বেশি থাকলে রেটিনার ক্ষুদ্র রক্তনালি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি বা ম্যাকুলার এডিমার মতো রোগ তৈরি করতে পারে। তবে ঝাপসা দেখার সব কারণ ডায়াবেটিস নয়—চশমার … বিস্তারিত পড়ুন

ডায়াবেটিস হলে কি ওজন কমে যায়? কারণ ও সতর্কতা

ডায়াবেটিসে অকারণে ওজন কমার প্রক্রিয়া বোঝাতে গ্লুকোমিটার, ওজনযন্ত্র, অগ্ন্যাশয়, পেশি, চর্বি ও রক্তে গ্লুকোজ

ডায়াবেটিস হলে কি ওজন কমে যায়? হ্যাঁ—রক্তে গ্লুকোজ খুব বেশি থাকা এবং শরীরে কার্যকর ইনসুলিনের ঘাটতি হলে চেষ্টা ছাড়াই ওজন কমতে পারে। বিশেষ করে টাইপ ১ ডায়াবেটিসে কয়েক দিন বা সপ্তাহের মধ্যে তৃষ্ণা, ঘন প্রস্রাব, ক্ষুধা ও ক্লান্তির সঙ্গে দ্রুত ওজন কমা গুরুত্বপূর্ণ সতর্কসংকেত। তবে সব ডায়াবেটিস রোগীর ওজন কমে না, আর ওজন কমলেই ডায়াবেটিস … বিস্তারিত পড়ুন